অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স; প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা ও ভুল ধারণা 1

অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স; প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা ও ভুল ধারণা

অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স; প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা ও ভুল ধারণা 2

প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে নেওয়া প্রয়োজন যে অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স বলতে এমন কোন লেন্সকে বোঝায় না যা আপনার চশমায় কোন কিছুর রিফ্লেকশন বা প্রতিবিম্ব দেখাবে না।

আসলে অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ গ্লাস/লেন্সে কিছু বিশেষ কোটিং দেওয়া থাকে যা পরিষ্কার দৃষ্টি পেতে এবং চোখের অস্বস্তি দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এই বিশেষ কোটিং-কে এ আর কোটিং বা অ্যান্টি গ্লেয়ার কোটিংও বলা হয়।

এ আর কোটিং চশমার লেন্সের সামনের এবং পেছনের সারফেসে আলোর প্রতিফলন নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে লেন্সের ভেতর দিয়ে বেশি পরিমাণ আলো প্রবেশ করতে পারে। এতে ডিস্ট্র্যাকশন কমে যায় এবং দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।
বিশেষ করে রাতের বেলায় লাইট, কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোকরশ্মিগুলোকে প্রতিফলিত করে দৃষ্টির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

হাই-ইনডেক্স লেন্সে এই এ আর কোটিং আরও ইফেক্টিভ্লি কাজ করে। সাধারণ প্লাস্টিক লেন্স প্রায় ৮ শতাংশ আলো প্রতিফলিত করে দেয়, ফলে শুধু ৯২ শতাংশ আলো লেন্স ভেদ করে চোখে প্রবেশ করতে পারে।
কিন্তু হাই-ইনডেক্স লেন্সগুলো প্রায় ১২ শতাংশ আলো প্রতিফলিত করে দেয়। এতে চোখে অনেক কম আলো প্রবেশ করে, ফলে তুলনামূলক কম আলোর জায়গায় দেখতে কষ্ট হয়। বিশেষ করে রাতে ড্রাইভিংয়ের সময় অনেক বেশি ভোগান্তির সৃষ্টি করে।

তবে সুখের খবর হল আধুনিক অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্সগুলো আলোর অতিরিক্ত তীব্রতাকে প্রতিফলিত করে দিয়ে প্রায় ৯৯.৫ শতাংশ আলো চোখে প্রবেশ করতে সাহায্য করে যা আরও পরিষ্কার দৃষ্টি নিশ্চিত করে।

অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স; প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা ও ভুল ধারণা 3

অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ চশমার আরেকটি উপকারিতা হল, এটি চশমার লেন্সেকে প্রায় অদৃশ্যের মতো করে দেয়। এতে সামনে থাকা মানুষ আরও ক্লিয়ারলি আপনার চোখ দেখতে পারে, ফলে আরও ভালভাবে ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন প্রকাশ করা যায়।
এছাড়া যেকোনো লাইটিং কন্ডিশনে অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্সগুলো দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় লাগে!

One thought on “অ্যান্টি রিফ্লেকটিভ লেন্স; প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা ও ভুল ধারণা

Leave a Reply